Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Friday, February 1, 2019

ইরান বিপ্লবের পর কী হয়েছিল খোমেনির সহযোগীদের

ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নিয়ে ১৫ বছরের নির্বাসনের পর তেহরানে ফিরে আসছেন আয়াতোল্লাহ খোমেনি
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতোল্লাহ খোমেনি ১৫ বছরের নির্বাসন শেষে তেহরানে ফিরে এসেছেন, এই ছবিটি হয়তো অনেকেই দেখে থাকবেন। সেই ছবিতে দেখা যায়, খোমেনিকে সহযোগীদের একটি বড় দল ঘিরে রেখেছে, যাদের প্রায় সবাই পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যে মারা যাবেন।
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের জন্ম এরাই দিয়েছেন। কিন্তু তাদের অনেকেই পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির যাঁতাকলে পড়ে যান, যাদের মধ্যে থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন মাত্র একজন।
চল্লিশ বছর আগে খোমেনির সঙ্গে একই বিমানে এসে যারা তেহরানের মাটিতে পা রেখেছিলেন, পরবর্তীতে তাদের কি হয়েছিল, এখানে রয়েছে তারই বর্ণনা।

বৃত্ত চিহ্নিত মোর্তেজা মোতাহারি, হাসান হাসান লাহাওতি আশকেভারি এবং আহমাদ খোমেনি আয়াতোল্লাহ খোমেনির সঙ্গে একই বিমানে ছিলেন
১. মোর্তেজা মোতাহারি ছিলেন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের একজন অন্যতম প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক। ১৯৭৯ সালের ১লা মে তেহরানে গুপ্তঘাতকের হামলায় নিহত হন মোতাহারি। ফোরঘান নামের একটি ইসলামিক দল ওই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করে। ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের বিপক্ষে ছিল ওই দলটি, যারা ইসলাম নিয়ে চরমপন্থি একটি আদর্শ ধারণ করে।
২. হাসান লাহোতি আশকেভারি চিলেন আয়াতোল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ একজন সহযোগী। কিন্তু বিপ্লবের পর তিনি ইরানের প্রথম প্রেসিডেন্ট বানি সদরের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। তখন তিনি আয়াতোল্লাহ খামেনির (যিনি ইরানের বর্তমান সুপ্রিম লিডার) অনেক বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করতে শুরু করেন। বিপ্লবের দুই বছর পরে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয় এবং সেখানেই তিনি মারা যান। তার পরিবারের অভিযোগ, তাকে বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে।
৩. আহমাদ খোমেনি ছিলেন আয়াতোল্লাহ খোমেনির সন্তান এবং তার ডান হস্ত। ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে তিনি মারা যান। ভাবা হতো যে, খোমেনির পরিবারের সদস্যরা ইরানের সংস্কার বাদী অংশের সাথে বেশি ঘনিষ্ঠ।
সাদেক কোৎবজাদেহ, আবল হাসান বানি সদর, সাদেগ তাবাতাবায়ি। অন্য যে ব্যক্তিকে বৃত্তে দেখা যাচ্ছে,, তিনি দারিউস ফোরোহার বলে মনে করা হয়
৪. সাদেক কোৎবজাদেহ ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিপ্লবের পর থেকে ১৯৮০ সালের অগাস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তবে আয়াতোল্লাহ খোমেনিকে হত্যা করার একটি ষড়যন্ত্র আর ইসলামিক প্রজাতন্ত্র উচ্ছেদ করার পরিকল্পনার অভিযোগে ১৯৮২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়
৫. আবল হাসান বানি সদর ছিলেন ইরানের বিপ্লবের পর দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট। তিনি ইরান থেকে পালিয়ে যান এবং এখন নির্বাসনে রয়েছেন। ১৯৮১ সালের ২১শে জুন তার অনুপস্থিতিতে মজলিস (ইরানের সংসদ) বানি সদরকে ক্ষমতাচ্যুত করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, তিনি ইরান প্রজাতন্ত্রের বিরোধী পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠছেন।
৬. সাদেগ তাবাতাবায়ি ছিলেন আয়াতোল্লাহ খোমেনির ভগ্নীপতি। বিপ্লবের পর তিনি সরকারি বেশ কয়েকটি পদের দায়িত্ব পান কিন্তু পরবর্তীতে রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানিতে ফুসফুসের ক্যান্সারে তিনি মারা যান।
৭. দারিউস ফোরোহারকে হয়তো ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে। একজন ধর্মীয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছিলেন ইরানের সরকারের একজন বিরোধী। ১৯৯৮ সালে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের লোকজনের হাতে তিনি এবং তার স্ত্রী নিহত হন।
১৯৭৯ সালে যে বিমানে করে ফ্রান্স থেকে আয়াতোল্লাহ খোমেনি ইরানে আসেন, সেই বিমানেই তার সঙ্গে যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই বিপ্লব পরবর্তী রাজনীতির শিকার হন। দুইজন গুপ্তঘাতকের হাতে নিহত, একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের রহস্যজনক মৃত্যু আর আরেকজন নির্বাসনে রয়েছেন।
তবে অবাক করা ব্যাপার হলো, এরা সকলেই, এমনটি খোমেনি পরিবারের সদস্যরাও- সবাই দেশটির শাসকদের থেকে নিজেদের আলাদা করে রেখেছেন।
ইরান এখন একেবারেই ভিন্ন একদল লোক পরিচালনা করছে। এমনকি বর্তমান সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ খামেনির ঘনিষ্ঠ কেউ এই ছবিতে নেই। ।

Saturday, December 29, 2018

বিএনপি শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল

বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের কার্যালয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
বিএনপি শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের কার্যালয়ে বসে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের সঙ্গে জোট রাজনৈতিক ‘কৌশলগত’ বলেও মন্তব্য করেন ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা জামায়াতের ব্যাপারে প্রশ্নের সম্মুখিন হই। বিএনপি কিন্তু জামায়াত নয়। বিএনপি শরীয়াহ আইনে বিশ্বাস করে না। বিএনপি মৌলবাদেও বিশ্বাস করে না। জামায়াতের ব্যাপারে আমাদের কোন মোহ নেই।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত নির্যাতন ও গুমের রেকর্ড থাকা আওয়ামী লীগকে ভারত কেন এড়িয়ে চলছে না সেটি আমি বুঝতে পারছি না। আওয়ামী লীগ একটি ঘৃণিত রাজনৈতিক দল। কিন্তু ভারতের কারণে আওয়ামী লীগ টিকে আছে। ভারত আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছে।
‘জামায়াতের সঙ্গে আমাদের জোট কৌশলগত। তাদের সঙ্গে থাকলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় এমন ৫০টি আসনে জয়লাভ করতে আমাদের সুবিধা হয়। আমাদেরকে ছাড়া তারা মাত্র তিনটি আসন পায়।’ বলেন ফখরুল।
বাংলাদেশের পুলিশ ও আমলাদের সঙ্গে ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের ভাল সম্পর্ক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিজেপি ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। আরএসএসও সেখানে আছে। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরিতে আমাদের কোন সমস্যা নেই।’
ইত্তেফাক/টিএস

Monday, October 1, 2018

বিজেপি নেতার বাংলাদেশ দখলের হুমকি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে জানিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপ‘র বিতর্কিত নেতা সুব্রহ্মন্যম স্বামী। আর এই নির্যাতন বন্ধ না হলে বাংলাদেশ দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন রাজ্যসভার এই সাংসদ।
রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন রাজ্য ত্রিপুরার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সুব্রহ্মন্যম স্বামী একথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেক হিন্দু মন্দির বলপূর্বক দখল করে নেওয়া হচ্ছে এবং বাংলাদেশের দরিদ্র শ্রেণির মানুষদের উপরে চাপ সৃষ্টি করে তাদের ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে।
এক পর্যায়ে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেন, ‘হিন্দুদের উপরে ক্রমাগত আক্রমণ হচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে। এই প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে দখল করে নেওয়া হবে বাংলাদেশ।’
বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের এই ‘পাগলামি’ অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি করেছেন স্বামী। অন্যথায় সমগ্র বাংলাদেশে দিল্লির শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন ভারতের শাসকদলের এই নেতা। তার ভাষায়, ‘হিন্দুদের বিরুদ্ধে পাগলামি বন্ধ না হলে বাংলাদেশ দখল করতে হবে। আমি সরকারকে সেই পরামর্শই দেব।’
অতীতেও বাংলাদেশ নিয়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন এই বিজেপি নেতা। ২০১৪ সালের এপ্রিলে এই বিজেপি নেতা দাবি করেন, দেশ ভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে৷ তাই তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিতে হবে৷ অন্যথায় খুলনা থেকে সিলেট পর্যন্ত বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড ভারতের কাছে ছেড়ে দেয়ার দাবি করেন এই নেতা।

১১ আইনে রাষ্ট্রপতির সম্মতি, নেই কওমি স্বীকৃতি বিল


জাতীয় সংসদের সদ্য শেষ হওয়া ২২তম অধিবেশনে ১৮টি বিল পাস হলেও ১১টি বিলে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তবে সেই সম্মতিতে নেই বহুল আলোচিত ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) এর সনদ মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান (কওমি মাদরাসা) বিল-২০১৮’।
রাষ্ট্রপতির সম্মতি থাকা বিলগুলো হলো, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল, ২০১৮; বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮; বস্ত্র বিল, ২০১৮; সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০১৮; যৌতুক নিরোধ বিল, ২০১৮; সার (ব্যবস্থাপনা) (সংশোধন) বিল, ২০১৮; জাতীয় পরিকল্পনা উন্নয়ন একাডেমি বিল, ২০১৮; হিন্দু দর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল, ২০১৮; বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন বিল, ২০১৮; কৃষি বিপণন বিল, ২০১৮; এবং জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮।
সংসদের আইন শাখার কর্মকর্তারা জানান, সংসদে কোনো আইন পাস হলে তা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠায় সংসদ। আইনগুলোর অনেক কপি ব্রডশিটে ছাপানো হয়।
কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি বিলসহ সম্মতির জন্য পাঠানো হয়নি এমন ৭টি বিল সংসদ অধিবেশনের শেষে পাস হওয়ায় এখনও কাজ শেষ হয়নি। কাজ শেষ হলেই সেগুলো রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে বলে জানা যায়।
এদিকে, বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিও রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায়নি বলে জানা গেছে। বিলটির খসড়া তৈরির সময়ই এর বিভিন্ন ধারার বিরোধিতা করে আসছিলেন সাংবাদিকরা। এটি সংসদে পাস হওয়ার তা তাতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাক্ষর না করার আহ্বানও জানায় বিভিন্ন মহল।
সম্পাদক পরিষদসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এই বিল পাসের বিরোধিতা করে কর্মসূচিতও দিয়েছিল। কিন্তু তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর অনুরোধে সেসব কর্মসূচি স্থগিত করে রোববার তার সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। সেই সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই আইনের যে ৯টি ধারায় আপত্তি এগুলোর বিষয়ে বিষয়ে পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে। এরপর আবার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
২২তম অধিবেশনে পাস হয়েছে অথচ রাষ্ট্রপতি এখনও স্বাক্ষর করেননি সেগুলো হলো, সড়ক পরিবহন বিল-২০১৮, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) এর সনদ মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান (কওমি মাদরাসা) বিল-২০১৮, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি বিল-২০১৮, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিল-২০১৮, পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরি শর্তাবলি) বিল ২০১৮, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট বিল-২০১৮ এবং কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা ট্রাস্ট বিল-২০১৮ পাস হয়।

Saturday, September 8, 2018

ভারতে সমকামিতা বেমানান নয়!



রবিঠাকুর ঠিকি বলেছিল, 'মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়!_____ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় করার বিরোধিতা করা যথার্থ ছিল, 'তার প্রমাণ : এই যেমন ভারতে সমকামিতা বৈধতার রায় নিয়ে আমি/আমরা যেভাবে হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছি তাতেই আমাদের নির্বুদ্ধিতার পরিচয় পাওয়া যায়!

"গল্প: একলোক আদরযত্ন করে একটা কুকুর পুষেছিল, কুকুরটাকে উন্নত ভালো-ভালো খাবার দেয়। হঠাৎ একদিন লোকটি দেখল, তার পোষ্য কুকুর শিশুর পায়খানায় খাচ্ছে!___লোকটা বিষম ক্ষেপে গিয়ে কুকুরের উপর চড়াও হল।
সে বলছে, তরে এতো আদরযত্ন করে ভালো ভালো খাবার খাওয়াচ্ছি, কিন্তু তুই পায়খানা খাচ্ছিস? 'আসলে কুকুরে তো ভুল করেনি। ভুল ভাবনা মালিকের ছিল। কুকুরকে যতই ভালো খাবার দিন, আদরযত্ন করুন, সে কি তার কুকুরী খাসিয়ত ভুলে যেতে পারে? "কখনো না।

কুকুর নজিস দেখলে লোভ সামলাতে পারেনা, মুখ দিবেই।
তাই কুকুর ভুল করেনি! ভুল আপনের। কুকুর তার মূলগত চরিত্র ছাড়তে পারেনা।

যে, জাতি সৌভাগ্য লাভের আশায়
কুকুর, বানর ইত্যাদি জানোয়ারের সাথে বিয়ে করে।
যে, জাতি সম্পূর্ণ উলঙ্গ মানুষের লিঙ্গ ছুঁয়ে পূজা করে।
যে, জাতি গরু রক্ষার নামে মানুষ হত্যা করে।
যে, জাতি তার আপন সন্তান, বোনদের ঋতুস্রাবের সময় গোয়ালঘরে থাকা বাধ্যতামূলক। শুধু তাইনা প্রথম ঋতুস্রাবের সময় ২২'দিন বাবা-এবং ভাইদের চোখের আড়ালে (বাড়িছাড়া) থাকা বাধ্যতামূলক।
সেই জাতির কাছে সমকামিতা বৈধতা পাওয়া দেখে এমন অবাক, আশ্চর্য হওয়া মূর্খতা ছাড়া আর কি হতে পারে?


ওরা ইঁদুর, বানর, কুকুর, হাতি, সাপ সহ অনেক জীবজন্তুর পূজা করে। এটা তাদের ধর্মে পেয়ে এসেছে। তাছাড়া তারা লিঙ্গ পূজা করে বিধায় সমকামিতা ঐপূজার অংশও হতে পারে!
সুতরাং তাদের জন্য এইসব স্বাভাবিক বিষয়।
এনিয়ে হৈ-চৈ করার কি আছে?

কিন্তু অস্বাভাবিক বিষয় হল: এদেরকে আমাদের দেশের কিছুসংখ্যক মানুষ' যারা নিজেদের মুসলিম ও পরিচয় দিয়ে থাকে, সেই তারা ওই সমকামী, লিঙ্গপূজারীদেরকে পরম বন্ধু সম্বোধন করে। তাদের সাহায্য পরামর্শ নিয়ে চলে! তাহলে কি ধরে নেবো, তাদের ও পূর্বপুরুষরা ঐ জাতি-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিল? 'যেমন কুকুর তার মূলগত চরিত্র ছাড়তে পারেনা, তেমনি এরাও তাদের বুনিয়াদী জাতভাইদের সঙ্গ ছাড়তে পারেনি!

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হিসেবে আমাদের দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। তাই আমাদের আচার আচর , চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা।
পশুর সাথে যে, মানবজাতির আচার আচরণের মিল থাকে, তাদেরকে মানুষ বলবেন কীভাবে?

তবে পশুরা কিন্তু সমকামিতা করেনা। তা-হলে ওরা তো পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট।
আর এই নিকৃষ্ট জাতের সাথে মানুষের বন্ধুত্ব হতে পারে কী???

উৎকণ্ঠিত গোটা আরব! ভয়ার্ত পুরো মুসলিমবিশ্ব


আমেরিকার পা-চাটা গোলাম সৌদিআরব শাইখ সালমান আল আওদাহ, শাইখ আওয আল কারনি ও শাইখ আলি আল উমারির শিরচ্ছেদ করার ঘৃণ্য পাঁয়তারায় লিপ্ত। এই তিন ইসলামি চিন্তাবিদের শিরচ্ছেদ করে তাগুত আ-লে সৌদ সৌদি জনগণের মুখে কলুপ এঁটে দিতে চাচ্ছে! তাগুত আ-লে সৌদের এই ঘৃণ্য পাঁয়তারা সম্পর্কে টের পেয়ে গেছে সৌদি জনগণ। ইতিমধ্যেই তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠেছে। এক অজানা ভীতি আর শঙ্কায় কাটছে তাদের প্রতিটা মুহূর্ত! এখন উৎকণ্ঠিত পুরো আরবজাতি। ভয়ার্ত গোটা মুসলিমবিশ্ব।

গত বুধবার তাগুত সৌদিআরবের কথিত শাস্তিমূলক আদালতের অধীনে শাইখ সালমান আল আওদাহর গোপন বিচার সংঘটিত হয়। সরকারপক্ষ তার বিরুদ্ধে সাঁইত্রিশটি ভুয়া সন্ত্রাসী অভিযোগ আরোপ করার পর; শাস্তিস্বরূপ তাঁর শিরচ্ছেদ করার আবেদন করে! তদ্রুপ পৃথক পৃথক গোপন বিচারে একই অভিযোগে শাইখ আওয আল কারনি ও শাইখ আলি আল উমারিরও শাস্তিস্বরূপ শিরচ্ছেদের আবেদন পেশ করে! শাইখ সালমান আল আওদাহর ছেলে আবদুল্লাহ আল আওদাহর সূত্রমতে, সৌদি আদালত শাইখ সালমান আল আওদাহর বিচার একমাসের জন্য মুলতবি ঘোষণা করে। আগামী মাসে তাঁর বিচার আবারও অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, প্রচণ্ড মানসিক চাপ ও অবহেলার শিকার হয়ে শাইখ আবদুল আজিজ আত তারিফির শারীরিক অবস্থা খুবই নাজুক। আলহায়ির কারাগারের হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অপরদিকে প্রখ্যাত দাঈ শাইখ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল আরিফির সবধরনের বক্তৃতা ও দাওয়াহর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তাগুত সৌদি প্রশাসন। শাইখ আরিফি এখন বাক-অবরুদ্ধ! তদ্রুপ আরও অনেককেই সংকীর্ণতার মধ্যে রাখা হয়েছে।

পুনঃউল্লেখ্য, একে একে সৌদিআরবের প্রায়সকল আলেম, দাঈ, রাজনীতিক ও ইসলামি চিন্তাবিদ কারাবন্দি বা নজরবন্দি। শুধুমাত্র 'হক' বলা বা 'হক'র পক্ষে অবস্থান নেয়ার কারণে। তাঁদের কেউ কেউ কারা-হাসপাতালে শয্যাশায়ী, আবার কেউ কেউ খড়গের নিচে মৃত্যুর জন্য প্রহর গণনাকারী! কিন্তু মসজিদে হারামের ইমাম ও খতিব ভাড়াটে শাইখ আবদুর রহমান আস সুদাইস এখন অবধি রাজকীয় আড়ম্বরপূর্ণ শান-শওকত আর বিপুল ঐশ্বর্যের মধ্যে তাগুত আ-লে সৌদের পা চেটেই যাচ্ছেন! বিশ্বকে শান্তির বন্দরের দিকে নিয়ে গমনকারী (!) ট্রাম্প ও সালমানের জুতো বহন করেই চলছেন!
-----

মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা

"এক জাতি, এক ভূমি"- এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা যে মুসলিম উম্মাহ্‌ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের প্রভাবশালী সভ্যতায় সেই একই ...

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ