Showing posts with label দৈনন্দিন খবর. Show all posts
Showing posts with label দৈনন্দিন খবর. Show all posts

Monday, December 16, 2019

বঙ্গবন্ধুর বন্ধুর নাম রাজাকারের ১ম তালিকায়


জুমবাংলা ডেস্ক : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন মজিবুল হক নয়া ভাই। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেছেন তিনি। বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে থেকেছেন মজিবুল হক। মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ গঠন থেকে শুরু করে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত পাথরঘাটা সংগঠনের সভাপতি ছিলেন নয়া ভাই। পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের টানা ৪০ বছর সভাপতি ছিলেন তিনি, ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন।
এরপরও সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় নাম এসেছে তার। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারে তালিকা প্রকাশ করা হয়। আর এই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা মজিবুল হকের নাম আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর পাথরঘাটার প্রত্যন্ত গ্রামে নয়া ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। আশ্রয় নিয়েছেন মুক্তিকামী মানুষও। স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠক ও মুক্তিকামী মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতাকারী মজিবুল হক নয়া ভাইয়ের নাম সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় আসায় ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরাও। এ বিষয়ে মজিবুল হকের স্ত্রী নুরজাহান বেগম বলেন, বিদায়ের বেলায় দেখতে হলো আমার স্বামীর নাম রাজাকারের তালিকায়, তাও আবার ১ নম্বরে। এখন কবর থেকে তুলে আমার স্বামীর বিচার করতে হবে ?


তিনি বলেন, আমার স্বামী ২০০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মারা গেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। সংগ্রাম পরিষদ পরিচালনা করেছেন। যুদ্ধের সময় আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিকামী মানুষের ভরণ-পোষণ দিয়েছেন। আজ সেই মানুষটা কি করে রাজাকার হয়? এর বিচার হবে। এর বিচার করবেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমার স্বামীর কাঁধে হাত দিয়ে হাঁটতেন। শেখ হাসিনা আমার স্বামীর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতেন। দূরে বসলে তাকে কাছে টেনে বসাতেন শেখ হাসিনা। সেই মানুষটা কি করে রাজাকার হলো, তা আমি জানতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি এর বিচার চাই।
বরগুনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবদুল মোতালেব মৃধা বলেন, মারা যাওয়ার এতো বছর পর আবার ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন মজিবুল হক নয়া ভাই। তিনি কখনও রাজাকার ছিলেন না। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ও বন্ধু। ছিলেন স্বাধীনতার সংগঠক।
 বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন,মজিবুল হক নয়া ভাই রাজাকার ছিলেন না। রাজাকারের তালিকায় কিভাবে উনার নাম এল বিষয়টি তদন্ত করে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Saturday, February 16, 2019

কবির শ্রদ্ধা বাংলা একাডেমিতে, শহীদ মিনারে অনুমতি মেলেনি


কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নয়, সদ্যপ্রয়াত কবি আল মাহমুদের মরদেহ বাংলা একাডেমিতে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে রাখা হবে কবির লাশ। এরপর ভক্তদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর সোয়া ১২টায় নেওয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। কবির সহকারী আবিদ আজম এসব তথ্য জানান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির জনসংযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক অপরেশ কুমার ব্যানার্জীও। তিনি বলেন, কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একাডেমির নজরুল মঞ্চে রাখা হবে কবির মরদেহ।
এছাড়া পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রথম জানাযা বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ফটকে অনুষ্ঠিত হবে।দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে কবির সহকারী আবিদ বলেন, কবির মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। তবে অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার রাত ১১টা ০৫ মিনিটে ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কবিকে ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ওই দিন প্রথমে সিসিইউতে ও পরে আইসিইউতে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, কবি আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্‌ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন

Friday, February 1, 2019

ইরান বিপ্লবের পর কী হয়েছিল খোমেনির সহযোগীদের

ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নিয়ে ১৫ বছরের নির্বাসনের পর তেহরানে ফিরে আসছেন আয়াতোল্লাহ খোমেনি
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতোল্লাহ খোমেনি ১৫ বছরের নির্বাসন শেষে তেহরানে ফিরে এসেছেন, এই ছবিটি হয়তো অনেকেই দেখে থাকবেন। সেই ছবিতে দেখা যায়, খোমেনিকে সহযোগীদের একটি বড় দল ঘিরে রেখেছে, যাদের প্রায় সবাই পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যে মারা যাবেন।
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের জন্ম এরাই দিয়েছেন। কিন্তু তাদের অনেকেই পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির যাঁতাকলে পড়ে যান, যাদের মধ্যে থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন মাত্র একজন।
চল্লিশ বছর আগে খোমেনির সঙ্গে একই বিমানে এসে যারা তেহরানের মাটিতে পা রেখেছিলেন, পরবর্তীতে তাদের কি হয়েছিল, এখানে রয়েছে তারই বর্ণনা।

বৃত্ত চিহ্নিত মোর্তেজা মোতাহারি, হাসান হাসান লাহাওতি আশকেভারি এবং আহমাদ খোমেনি আয়াতোল্লাহ খোমেনির সঙ্গে একই বিমানে ছিলেন
১. মোর্তেজা মোতাহারি ছিলেন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের একজন অন্যতম প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক। ১৯৭৯ সালের ১লা মে তেহরানে গুপ্তঘাতকের হামলায় নিহত হন মোতাহারি। ফোরঘান নামের একটি ইসলামিক দল ওই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করে। ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের বিপক্ষে ছিল ওই দলটি, যারা ইসলাম নিয়ে চরমপন্থি একটি আদর্শ ধারণ করে।
২. হাসান লাহোতি আশকেভারি চিলেন আয়াতোল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ একজন সহযোগী। কিন্তু বিপ্লবের পর তিনি ইরানের প্রথম প্রেসিডেন্ট বানি সদরের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। তখন তিনি আয়াতোল্লাহ খামেনির (যিনি ইরানের বর্তমান সুপ্রিম লিডার) অনেক বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করতে শুরু করেন। বিপ্লবের দুই বছর পরে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয় এবং সেখানেই তিনি মারা যান। তার পরিবারের অভিযোগ, তাকে বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে।
৩. আহমাদ খোমেনি ছিলেন আয়াতোল্লাহ খোমেনির সন্তান এবং তার ডান হস্ত। ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে তিনি মারা যান। ভাবা হতো যে, খোমেনির পরিবারের সদস্যরা ইরানের সংস্কার বাদী অংশের সাথে বেশি ঘনিষ্ঠ।
সাদেক কোৎবজাদেহ, আবল হাসান বানি সদর, সাদেগ তাবাতাবায়ি। অন্য যে ব্যক্তিকে বৃত্তে দেখা যাচ্ছে,, তিনি দারিউস ফোরোহার বলে মনে করা হয়
৪. সাদেক কোৎবজাদেহ ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিপ্লবের পর থেকে ১৯৮০ সালের অগাস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তবে আয়াতোল্লাহ খোমেনিকে হত্যা করার একটি ষড়যন্ত্র আর ইসলামিক প্রজাতন্ত্র উচ্ছেদ করার পরিকল্পনার অভিযোগে ১৯৮২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়
৫. আবল হাসান বানি সদর ছিলেন ইরানের বিপ্লবের পর দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট। তিনি ইরান থেকে পালিয়ে যান এবং এখন নির্বাসনে রয়েছেন। ১৯৮১ সালের ২১শে জুন তার অনুপস্থিতিতে মজলিস (ইরানের সংসদ) বানি সদরকে ক্ষমতাচ্যুত করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, তিনি ইরান প্রজাতন্ত্রের বিরোধী পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠছেন।
৬. সাদেগ তাবাতাবায়ি ছিলেন আয়াতোল্লাহ খোমেনির ভগ্নীপতি। বিপ্লবের পর তিনি সরকারি বেশ কয়েকটি পদের দায়িত্ব পান কিন্তু পরবর্তীতে রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানিতে ফুসফুসের ক্যান্সারে তিনি মারা যান।
৭. দারিউস ফোরোহারকে হয়তো ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে। একজন ধর্মীয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছিলেন ইরানের সরকারের একজন বিরোধী। ১৯৯৮ সালে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের লোকজনের হাতে তিনি এবং তার স্ত্রী নিহত হন।
১৯৭৯ সালে যে বিমানে করে ফ্রান্স থেকে আয়াতোল্লাহ খোমেনি ইরানে আসেন, সেই বিমানেই তার সঙ্গে যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই বিপ্লব পরবর্তী রাজনীতির শিকার হন। দুইজন গুপ্তঘাতকের হাতে নিহত, একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের রহস্যজনক মৃত্যু আর আরেকজন নির্বাসনে রয়েছেন।
তবে অবাক করা ব্যাপার হলো, এরা সকলেই, এমনটি খোমেনি পরিবারের সদস্যরাও- সবাই দেশটির শাসকদের থেকে নিজেদের আলাদা করে রেখেছেন।
ইরান এখন একেবারেই ভিন্ন একদল লোক পরিচালনা করছে। এমনকি বর্তমান সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ খামেনির ঘনিষ্ঠ কেউ এই ছবিতে নেই। ।

Friday, December 7, 2018

ভিকারুননিসায় এক ছাত্রীকে টিসি দিলে ১০ লাখ টাকা


রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের বিরুদ্ধে রয়েছে ভর্তি বাণিজ্য, অতিরিক্ত ফি আদায়, অভিভাবকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারসহ নানা অভিযোগ। শিক্ষার্থী অরিত্রির অধিকারীর মৃত্যুর পর মুখ খুলছেন অভিভাবকরাও।
অরিত্রির ঘটনায় এক নারী শিক্ষককে গ্রেফতার করা হলেও আরও দুজন পলাতক। অভিভাবকদের অভিযোগ, যে শিক্ষকরা পতালক তারাই ঘটনার সঙ্গে বেশি জড়িত।
ভিকারুননিসার অনিয়মের প্রতিবাদে শুক্রবার প্রতিবাদমুখর ছিলেন অভিভাবকরা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি ছাত্রীকে টিসি দিয়ে বের করে দিলে, আরেকটি ছাত্রী ভর্তি করা যাবে। তাহলে নগদে ১০ লাখ টাকা আয় হয়ে যাবে। প্রতিটি শিক্ষকের মাথায় এটি ঘোরে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি সেশনে ৭০ জন থাকার কথা। সেখানে ১০০-১১০ জন ভর্তি হচ্ছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এটা ভর্তি বাণিজ্য হয়েছে তা না হলে কীভাবে হলো। এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা যায়। কিন্তু ভিকারুননেসা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করা দুষ্কর।’
প্রসঙ্গত, নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রির বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগ এনেছিল। এ জন্য অরিত্রির মা-বাবাকে ডেকে নেন ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ।
তাদের ডেকে মেয়ের সামনেই অপমান করে বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে অরিত্রিকে নকলের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হবে। এ অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে অরিত্রি আত্মহত্যা করে।
পুলিশ ও পরিবারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে সাততলা ভবনের সপ্তমতলায় নিজ ফ্ল্যাটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অরিত্রিকে পাওয়া যায়।
এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসকরা অরিত্রিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই ছাত্রীর গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরে। অরিত্রির বাবা দিলীপ কুমার একজন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী।

Monday, December 3, 2018

তাবলীগ জামাতকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচান


দু-একজন ব্যক্তির হঠকারিতা ও ভ্রান্ত মতাদর্শের ফলে বিশ্ব তাবলীগ এখন হুমকির মুখে। দিল্লির সাআদ সাহেবের বাড়াবাড়ি ও ভুল মতবাদ বিশ্বব্যাপী
তাবলীগকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আগামী ইজতেমায় তার উপস্থিতি ও বয়ান দেশের তাবলীগ ও আলেমসমাজকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর এক ক্ষতিকর চ্যালেঞ্জ ছাড়া আর কিছু নয়। বিশ্ব তাবলীগের মুরুব্বিদের সাথে সমঝোতা না করে এবং দেওবন্দের মুরুব্বিদের অমান্য করে সাআদ সাহেব যে ভুল করছেন তার ফলে তাবলীগের কাজ নষ্ট হলে তিনি ও বাংলাদেশে তার অন্ধ সমর্থক কাকরাইলের দুই মুরুব্বি ওয়াসিফুল ইসলাম ও নাসিম সাহেবই দায়ী থাকবেন। তাবলীগ জামাতকে তার সঠিক পথের ওপর টিকিয়ে রাখার জন্য উলামায়ে দেওবন্দ যে কোনো পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। গতকাল আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে দেশের শীর্ষ ৪০ জন আলেম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

                                  সাদের গোমড় ফাস করলেন সেখানে  আহত এক ভাই      
শীর্ষ আলেমগণ আরো বলেন, আলেম সমাজ ও তাবলীগ জামাতের মধ্যে দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র সফল হবে না। সারা বিশ্বের তাবলীগ সংশ্লিষ্ট মুরুব্বি, আরব আফ্রিকাসহ ইউরোপ আমেরিকার সকল মারকাজ শূরা ভিত্তিতে তাবলীগ পরিচালনার পক্ষে থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে দিল্লির সাআদ সাহেব একক সিদ্ধান্তে তাবলীগ জামাত চালাচ্ছেন। তার নিজস্ব চিন্তাধারা ও ঐতিহ্যবিরোধী নতুন নীতিমালার ফলে ভারতের তাবলিগী কাজও দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়েছে। সাআদ সাহেবের ভ্রান্ত মতাদর্শ এখন সারাবিশ্বে প্রচারিত হওয়ায় দিল্লি নিজামুদ্দিনের মুরুব্বিরা তাকে ত্যাগ করে মারকাজ থেকে চলে গেছেন। মাওলানা আহমদ লাট, মাওলানা ইব্রাহীম দেওলা প্রমুখ দিল্লি ছেড়ে নিজ নিজ এলাকায় চলে গিয়ে প্রকৃত উসুল মোতাবেক দাওয়াতের কাজ করছেন। সাআদ সাহেবকে বিশ্বের সকল দায়িত্বশীলরা সংশোধন ও নীতির ওপর ফিরে আসার আল্টিমেটাম দিলেও তিনি কারো কথাই মানছেন না। তিনি দারুল উলুম দেওবন্দসহ ভারত, পাকিস্তান, আরব, আফ্রিকা ও বাংলাদেশের সকল আলেমের সম্মিলিত প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইতোমধ্যে দেওবন্দ থেকে তার ভ্রান্ত মতাদর্শ ও ভুল কর্মপদ্ধতির ওপর বিশদ আলোচনাসহ ফতোয়া দেয়া হয়েছে। দেওবন্দের মুহতামিম আল্লামা নোমানী, মাওলানা আরশাদ মাদানী, মাওলানা সাঈদ আহমদ পালনপুরী প্রমুখ আলেমদের প্রতি সাআদ সাহেবের অবজ্ঞা বিশ্ব মুসলিমের মনে চরম আঘাত হেনেছে। গত হজে বিশ্ব তাবলীগের মুরুব্বিরা সাআদ সাহেবের হঠকারিতার জন্যই তাকে সাথে রাখেননি। বাংলাদেশের সকল আলেম আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে সাআদ সাহেবকে সংশোধনের পূর্ণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। দেশের ৪০-৪৫ জন বড় আলেম কাকরাইল ও টঙ্গীর জোড়ে গিয়েও তার সংশোধন কামনা করে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। সর্বশেষ দেশের উলামায়ে কেরাম আগামী ইজতেমায় সাআদ সাহেবকে না আসার অনুরোধ জানিয়ে পত্র দিলেও বাংলাদেশে তাবলীগের দু-একজন লোক তাকে আনার চেষ্টা করছেন এবং আলেম উলামা ও তাবলীগের সকল মুরুব্বির এ দাবিকে অগ্রাহ্য করে সাআদ সাহেবের হঠকারিতাকে এস্টাবলিস্ট করার চ্যালেঞ্জ দিয়ে মাঠে নেমেছেন। বিশেষ করে কাকরাইলের আসিফুল ইসলাম ও নাসিম সাহেব বাংলাদেশের আলেম সমাজের সাথে তাবলীগ জামাতের  দূরত্ব সৃষ্টি ও মসজিদে মসজিদে পাড়ায়-মহল্লায় বিরোধ ও আলেম বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। কাকরাইলের শূরা ও আলেমদের সাথেও তারা রীতিমতো দুর্ব্যবহার করছেন। এ পর্যায়ে যদি তারা নিজেদের জেদ বহাল রাখার জন্য সাআদ সাহেবকে টঙ্গীতে উপস্থিত করেন তাহলে দেশের আলেম সমাজ তা মেনে নেবে না। এর ফলে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়া অসম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের সাথে আলেম সমাজের সুসম্পর্কেরও মারাত্মক ফাটল ধরবে। তখন গোটা আলেম সমাজ ও বিশ্ব তাবলীগ নিজেরা অতীতের মতোই ঐক্যবন্ধ থাকবে, কেবল হঠকারী শক্তিটিই প্রত্যাখ্যাত হবে। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন মাওলানা আবদুল হালীম, পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা আশরাফ আলী, আল্লামা আবদুল কুদ্দুস, আল্লামা মাহমুদুল হাসান, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মালেক, মাওলানা  উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি মিজানুর রহমান, মাওলানা মুফতি রুহুল আমীনসহ দেশের শীর্ষ ৪০ আলেম

Thursday, November 29, 2018

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনেই নারী খেলোয়াড়কে ধর্ষণ




ভারোত্তলনে সোনাজয়ী এক নারী ভারোত্তোলক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে খোদ ভারোত্তলন ফেডারেশনের এক অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে। এই নারী ভারোত্তোলক ঘটনার পর থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এখন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি।
নির্যাতিতার মামা জানান, গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরোনো ভবনের চারতলায় ধর্ষণের শিকার হয় তাঁর ভাগ্নি। ১৫ সেপ্টেম্বর খেলা ছিল। যার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর অনুশীলনের জন্য ডেকে আনা হয়। দেখানো হয় চাকরির লোভও। পরে পুরোনো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চারতলায় ডেকে এনে রুম লাগিয়ে দেয়া হয়। আমার ভাগ্নির সর্বনাশ করেছে সোহাগ। ওকে রুমে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছে কর্মচারী মালেক ও আরেকজন নারী ভারোত্তোলক।
তিনি জানান, ঘটনাটি তাঁরা জেনেছেন অনেক পরে। বাড়ি ফেরার পর নারী ভারোত্তোলক ব্যাপারটি কাউকে বলেননি। গত ১০ অক্টোবর তিনি বাড়ির পেছনের পুকুরে ডুবে আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালালে বিষয়টি সামনে আসে।  মামলা না করার কারণ- মামলা হলে বাড়িতে থানা-পুলিশ যাবে। গ্রামে মুখ দেখানো যাবে না। এ ছাড়া টাকা-পয়সার ব্যাপার তো আছ বলে যোগ করেন তিনি।
আত্মহত্যার চেষ্টা চালানোর পর থেকে গ্রামে কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে ২৩ অক্টোবর গ্রাম থেকে ঢাকায় এনে মানসিক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই এখন চলছে তার চিকিৎসা। ওই হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, বড় ধরনের শক থেকে মেয়েটির অবস্থা পাগলপ্রায়। শুরুতে অবস্থা খারাপ থাকলেও এখন অবস্থা উন্নতির দিকেই।
এদিকে ফেডারেশনে এসে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। ফেডারেশনের সহ সভাপতি উইং কমান্ডার মহিউদ্দিন আহমেদ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেন, আমরা চিকিৎসার জন্য কিছু টাকা দিয়ে দিয়েছি। তাঁরা আমাকে বললেন যে তাঁরা মামলা করতে চান। আমি জানাই এটা আপনাদের ইচ্ছা। পরে অভিযোগ ওঠা অফিস সহাকারী নাম-ঠিকানাও নিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, খেলা থাকলে ঢাকার বাইরে থেকে আসা খেলোয়াড়েরা সাধারণত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে অবস্থান করে থাকেন। সেই নারী ভারোত্তোলক গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে অবস্থান করছিলেন। অভিযোগে থাকা সোহাগের চাকরি তদন্তকালীন সময়ে স্থগিত থাকবে। গতকাল পর্যন্ত তাঁকে দেখা গেলেও আজ থেকে তিনি লাপাত্তা। ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না তাঁকে।

মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা

"এক জাতি, এক ভূমি"- এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা যে মুসলিম উম্মাহ্‌ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের প্রভাবশালী সভ্যতায় সেই একই ...

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ