Thursday, June 25, 2020

قواعد اللغة العربية الميسرة pdf

قواعد اللغة العربية الميسرة

مؤلف : فهمي قطب الدين النجار

قسم : اللغة العربية

اللغة : العربية

الصفحات : 64

عدد الملفات : 1

حجم الملفات : 1.56 ميجا بايت

نوع الملفات : PDF

تاريخ انشاء الملفات : 23 مارس 2013

Download

وصف الكتاب

هذه قواعد نحوية صِيغت بأسلوب سهل، ولغة ميسرة، تصلح للطلاب المبتدئين، وكذا أولياء الأمور؛ لتساعدهم على نطق العربية لغة القرآن الكريم، فضلاً عن أخذهم لمحة سريعة عن النحو والقواعد النحوية.

Download


Wednesday, May 20, 2020

মিল্লাতে ইবরাহিমের জাগরণ " বইয়ের পিডিএফ


বইয়ের নাম : মিল্লাতে ইবরাহিমের জাগরণ ।
বইয়ের মূল নাম : দিফায়ে মিল্লাতে ইবরাহিম ।
গ্রন্থনা : শাইখ মুদ্দাসসির আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ আরশাদ লুধি রাহ.
অনূবাদক : মাওলানা আলী হাসান উসামা । 
নির্ধারিত মূল্য : ৯৫ টাকা ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৮৯
প্রকাশনী : বইকেন্দ্র ।
‘ মিল্লাতে ইবরাহিম ‘ । ইসলামের একটি বহুল গুরুত্বপূর্ণ , মৌলিক ও আক্বীদার অংশ , যার আলোচনা কোর’আনে উঠে এসেছে বহুবার ! স্বয়ং মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ও কোর’আনে শ্রেষ্ঠ উম্মাহ হিসেবে আখ্যায়িত হওয়া তার উম্মাহকে এই ‘মিল্লাতে ইবরাহিম‘ অনুসরন করতে বলা হয়েছে । এই মিল্লাতে ইবরাহীমের খাসিয়ত কী যার কারণে তাকে কোর’আনে ও সুন্নাতি রাসূলিল্লাহ ‘তে আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে ? এই প্রশ্নের উত্তরগুলো জানার জন্যই বইটি পড়া ।
বইটির শুরু হয়েছে তাগুতের সাথে ‘ সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা ‘ দিয়ে যা মিল্লাতে ইবরাহিমের অন্যতম দাবি । অতপর , অনুবাদক কর্তৃক লিখিত ‘ ভূমিকা ‘ যা ৯-২৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিস্তৃত । এই ভূমিকাটি বইটিকে বিন্যাসিত আকারে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করে । বইটির মূল উদ্দেশ্য ও কার্যবিবরনী এই ভূমিকাতে খুলে খুলে বলা হয়েছে । এই ভূমিকায় আলোচনা করা হয়েছে ,
১| দীন , মিল্লাত এবং শরিয়তের পার্থক্য ।
২| মিল্লাতে ইবরাহীম নিয়ে আলোচনা কেন প্রয়োজন।৩| মিল্লাতে ইবরাহিমের পরিচয় ।
৪| শুধু মিল্লাতে ইবরাহিম অনুসরণের নির্দেশ কেনো ।
৫| মিল্লাতে ইবরাহিমের মূল বৈশিষ্ঠ্য ।
বইটিকে মূলত আমি ২ ভাগ করে পড়েছি ।
• মিল্লাতে ইবরাহিম নিয়ে বিভিন্ন ধরণের ত্রুটি-বিচ্যুতি , সংশয় ও অপব্যাখ্যার জবাব ।
• মিল্লাতে ইবরাহিমের সঠিক নির্দেশনা , সঠিক পরিচয়, এর উপর টিকে থাকা ও প্রতিষ্ঠাকরণের সঠিক পথ ।
অতপর , লেখক আলোচনা করেছেন এরূপ কয়েকটি পয়েন্ট সবিশেষ উল্লেখ করা হলো ,
১| কিতাব এবং সুন্নাহর মানহাজ।
২| কিতাব ও সুন্নাহর পথ থেকে বিচ্যুতি ।
৩| মিল্লাতে ইবরাহিমের বিবরণ ।
এখানে , তিনি বলেন , মিল্লাতে ইবরাহিম দুটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত ;
(ক) ইবাদাতকে একমাত্র আল্লাহ’র জন্য একনিষ্ঠ করা ।
(খ) শিরক এবং মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং প্রকাশ্যে তাদের সঙ্গে শত্রুতার ঘোষণা দেওয়া ।
৪| মিল্লাতে ইবরাহিম মানুষের মধ্যে পার্থক্যকারী ।
এখানে লেখকের মন্তব্য হলো , মিল্লাতে ইবরাহিমের একটি দিক যে , মুশরিকদের থেকে পৃথক হওয়া তথা গোটা জগতবাসী থেকে পৃথক হওয়া এবং এই দিকটি বাস্তবায়ন করা ব্যাতীত এই দ্বীন ইসলাম বিজয়ী হতে পারে না ।
৫| মিল্লাতে ইবরাহিমের অনুধাবন এবং মিল্লাতে ইবরাহিম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভ্রান্তি ।
এই পয়েন্টটি খুব গুরূত্বপূর্ণ ও এখানে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তিনি সেসব লোকদের বক্তব্য ও কর্ম বয়ান করেছেন ও তাদের দাবির অসারতা তুলে ধরেছেন যারা এই বিষয়টির উপর সংশয়বোধ করে যেমন ,
* কিছু লোক বলে , দ্বীন প্রতিষ্ঠার মূলভিত্তি হলো কবরপূজারী , বিদআতি ও তাসাউফপন্থিদের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করা
* আরেকদলও অনুরূপ বিশ্বাস লালন করে ও মাযহাবকেন্দ্রিক বিবাদে লিপ্ত থাকে ।ইত্যাদি ।
৬| মিল্লাতে ইবরাহিম প্রতিষ্ঠার সঠিক পদ্ধতি ।
৭| তোষামোদি এবং নিরবতা অবলম্বনের দ্বারা দ্বীন কায়েম হয়না , বরং দ্বীন কায়েমের সঠিক পন্থা হলো , প্রকাশ্যে সত্যের ঘোষণা দেওয়া এবং বিপদাপদ ও কষ্টের উপর ধৈর্যধারণ করা ।
৮| মুক্তিপ্রাপ্ত দলের কিছু বৈশিষ্ট্য ।
৯| অগ্রহণীয় অজুহাতসমূহ ।
সকল গোষ্ঠী তিনটি বিষয়কে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করায় ,
(ক) সদস্য সংখ্যার স্বল্পতা ।
(খ) বস্তুগত প্রকৃতির অবিদ্যমানতা ।
(গ) শত্রুর সংখ্যাধিক্য , ভয়ানক অস্ত্রশক্তি ও অসাধারন রণপ্রস্তুতির সামনে টিকতে না পেরে পরাজিত হওয়ার আশঙ্কা ।
আসলেই , বর্তমানে মডারেট মুসলিমরা এরকম অযুহাতই পেশ করে যা পূর্ববর্তী যামানায় মক্কার মুনাফিকরা বলতো । তিনি এখানে এসকল কুযুক্তির খন্ডন করেছেন , কোর’আন ও হাদীসের আলোকে ।
১০| সত্যপ্রতিষ্ঠার পথে অবশ্যপালনীয় কিছু নির্দেশনা ।
তিনি বলেন , “ সত্য প্রতিষ্ঠার পথে কোর’আন এবং সুন্নাহয় বর্ণিত বিধিবিধান , আদেশ-নিষেধ এবং পালনীয়-পরিত্যাজ্য বিষয়গুলোর প্রতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লক্ষ্য রাখা এবং পরিপূর্ণ আনুগত্য অবলম্বন করে প্রত্যেক অবাধ্যতা থেকে বেচে থাকা জরুরি ।”
জালিমদের ক্ষেত্রে ,
শাইখের ভাষায় ,
মানুষ ৩ ভাগে বিভক্ত হয় ,
(ক) প্রথম দল শান্তি-সন্ধি প্রতিষ্ঠা , মৌনতা অবলম্বন ও তাদের সাথে শত্রুতা না করার দা’ওয়াত দেয় । এটা সুন্নাহ বিরোধী ।
(খ) দ্বিতীয় দল ত্বড়িৎ অহস্থান গ্রহন করে এবং লড়াইয়ের ঘোষণা দেয় , তবে তারা বাতিলপন্থিদের সমাজেই অবস্থান করে ।
(গ) তৃতীয় দল সদা সর্বদা ত্য কথা বলে , তারা সত্যের পথে জীবনেৎসর্গকারী ও এরা ভীরুতা প্রদর্শন করেনা ।
১১| সত্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রতিবন্ধক কিছু সংশয় ।
এখানে লেখক সীরাতের কিছু অংশ বর্ণণা করেছেন , বিশেষত হুদায়বিয়ার সন্ধির ঘটনা ও সূরা আনফালের ৬১ নং আয়াত নিয়েও কিছু দ্বীনদরদীদের অপব্যখ্যার সঠিক ও সমুচিত জবাব দিয়েছেন যেগুলো দ্বারা কাফির মুশরিকদের সাথে তারা সমযোতার দলিল পেশ করতো।তিনি এখানে ভালো করেই বুঝিয়ে দিয়েছেন কখন তাদের সাথে সন্ধি করা যাবে আর কখন করা যাবেনা ।
১২| এক মরদে মুমিনের স্মরণ ।
এই পরিচ্ছদে ইমাম ইবনু তাইমিয়া রাহ. কে নিয়ে শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু জামিল গাজি’র কিছু আবেগময়ী কথা উল্লেখ করা হয়েছে ।
১৩| পুনশ্চ ।
অতপর , একজন ভাইয়ের কবিতার মাধ্যমে বইটির পরিসমাপ্তি ঘটেছে ।
আমাদের মধ্যাকার অনেকেই আছেন , দ্বীন পালনে আগ্রহী ও দ্বীনের মৌলিক বিষয়াদি নিয়ে যথেষ্ঠ সচেতন; তাদের সকলের উচিত ‘ মিল্লাতে ইবরাহিম ‘ এর উপর শাইখ মুদ্দাসসির আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ আরশাদ লুধি রাহ. রচিত ‘ দিফায়ে মিল্লাতে ইবরাহিম ‘ এর সহজ-সরল এই গ্রন্থনাটি পড়া , অনুধাবন করা যা মাওলানা আলী হাসান উসামা কর্তৃক অনূদিত হয়েছে অত্যন্ত প্রান্জল ভাষায় যা সহজেই বোধগম্য ।
আসলে , বইটির প্রচ্ছদ ,বাধাই , পেইজ সবকিছুই খুব ভালো । সর্বোপরি , বইটির অনুবাদ , ভাষা খুবই সুন্দর হয়েছে যা সত্যিই খুব হৃদয়গ্রাহী ।
বইটি পড়ে আমরা জানতে পারবো কেনো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে , আমাদেরকে মিল্লাতে ইবরাহিমের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার কথা বলা হয়েছে ? শুধু ইবরাহিম আলাইহিস সালামের মিল্লাতের অনুসরণ করার রহস্য কী ? আমরা কীভাবে মিল্লাতে ইবরাহিমের উপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারি ? ইত্যাদি ।
আরেকটা বিষয় , মিল্লাতে ইবরাহিমের সাথে যেকোনভাবেই হোক আমরা সকলেই কিছুটা পরিচিত আছি । কিন্তু , এতদসত্বেও আমাদের এই জানাশোনা মিল্লাতে ইবরাহিমের হক আদায়ে ব্যার্থ ।যদিও মিল্লাতে ইবরাহিম শুধু জানাশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে তা প্রায়োগিক দিকে বিশ্বাসী । মিল্লাতে ইবরাহিম আমাদের আক্বীদা , দ্বীনের পথে অটল অবিচল থাকার এ এক বিরাট শিক্ষা । কিন্তু , পরিতাপের বিষয় এর উপর আলাপ-আলোপন ও বই হাতেগোনা যা মিল্লাতে ইবরাহিমের পরিচিতি ও প্রচার প্রসারের ক্ষেত্রে অতি নগন্য । এক্ষেত্রে , মাওলানা আলী হাসান উসামা’র অনূদিত ও বইকেন্দ্রের প্রকাশীত এই বই সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে ।
আল্লাহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন ও এর বরকতে তিনি আমাদের সকলকেই ‘ মিল্লাতে ইবরাহিম ‘ সঠিকভাবে হৃদয়ঙ্গম করার এবং নিজেদের জীবনে , সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার তাওফীক এনায়েত করুন । আমীন ।

Tuesday, May 19, 2020

বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইয়ের পিডিএফ।

বিশ্বাসের যৌক্তিকতা”
আল্‌হামদুলিল্লাহ। রাফান আহমেদ ভাইয়ের বিশ্বাসের যৌক্তিকতা (Reasons To Believe) বইটি পড়ার সুযোগ হয়েছে। আমি আদতে কুর্‌আনের ভাষায় ‘শুনলাম এবং মেনে নিলাম’ দলের সদস্য হবার চেষ্টায় থাকলেও, ব্যক্তিগতভাবে যুক্তি-তর্ক আমার খুব পছন্দের। স্রষ্টা আসলে বিজ্ঞানের আলোচ্য টপিকের মধ্যে পড়ে না। কিন্তু আমরা যদি বিজ্ঞানকে স্রষ্টার সৃষ্টির একটা অংশ ধরে নিই, তাহলে বিজ্ঞানের কোন কিছুই স্রষ্টার বিপরীতে যেতে পারে না। স্রষ্টা বিজ্ঞানের বিষয় না হলেও, বিজ্ঞানের sign এর মাঝে স্রষ্টাকে তখন অনায়াসে খুঁজে পাওয়া যাবে।
বস্তুবাদী দুনিয়ার খপ্পরে পড়ে বর্তমান বিজ্ঞান বড্ড একপেশে হয়ে গেছে। স্রষ্টার সাথে বস্তুবাদী দুনিয়া যেন এক মহা সংগ্রামে লিপ্ত। কিন্তু, বস্তুবাদী দুনিয়া যতোই রঙচঙে ভাবমূর্তি নিয়ে আমাদের সামনে এসে দাঁড়াক না কেনো, সত্যের সামনে সে বারবার পযর্দুস্ত হতে বাধ্য।
বিজ্ঞানে বিশ্বাসের কোন স্থান নেই, এটা স্রেফ তথ্য প্রমাণ নির্ভর – এ কথাটা পুরোপুরি ঠিক নয়। কিন্তু ধর্মের মূল ভিত্তিই হলো বিশ্বাস। তাছাড়া বিজ্ঞান আজ এটা বলছে তো কাল ওটা। বিজ্ঞানকে আমরা চির-নির্মাণাধীন (endlessly becoming) প্রক্রিয়া বলতে পারি। এখানে কোন কোন থিওরি দুইশো বছর টিকে, আবার কোন কোন থিওরি দুই সেকেন্ডও টিকে না। এই হলো বিজ্ঞানের অবস্থা।
বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের কোন সংঘাত নেই, সহাবস্থান আছে। কিন্তু বস্তুবাদী দুনিয়া আমাদের চোখে একটি রঙিন চশমা পরিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করে যে, ধর্ম এবং বিজ্ঞান পরস্পর সাংঘর্ষিক। রাফান আহমেদের ছোট অথচ ব্যাপক তথ্যবহুল এই বইটিতে তিনি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, ধর্মবিশ্বাস মানুষের একটি সহজাত বিষয়। এটি সে জন্মগতভাবে পেয়ে থাকে। এটি বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়।
তাছাড়া, বস্তুবাদী জগতের অনেক বিজ্ঞানী, দার্শনিকের মন্তব্য, গবেষণালব্ধ তথ্য টেনে তিনি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, – ‘বিজ্ঞান কখনোই শেষ কথা নয়’…
বইটিতে তথ্যের ব্যাপক সমাহার আমাকে মুগ্ধ করেছে। রাফান আহমেদের উপস্থাপনা শৈলিও চমৎকার। প্রতিটি অধ্যায়ই ভাবনার উদ্রেক করে। বইটি প্রতিটি পাঠককে উপকৃত করবে বলেই আমার বিশ্বাস। আল্লাহ্‌ উনার এই কাজকে কবুল করুন, আ-মী-ন।

Monday, December 16, 2019

বঙ্গবন্ধুর বন্ধুর নাম রাজাকারের ১ম তালিকায়


জুমবাংলা ডেস্ক : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন মজিবুল হক নয়া ভাই। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেছেন তিনি। বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে থেকেছেন মজিবুল হক। মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ গঠন থেকে শুরু করে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত পাথরঘাটা সংগঠনের সভাপতি ছিলেন নয়া ভাই। পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের টানা ৪০ বছর সভাপতি ছিলেন তিনি, ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন।
এরপরও সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় নাম এসেছে তার। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারে তালিকা প্রকাশ করা হয়। আর এই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা মজিবুল হকের নাম আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পর পাথরঘাটার প্রত্যন্ত গ্রামে নয়া ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। আশ্রয় নিয়েছেন মুক্তিকামী মানুষও। স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠক ও মুক্তিকামী মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতাকারী মজিবুল হক নয়া ভাইয়ের নাম সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় আসায় ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরাও। এ বিষয়ে মজিবুল হকের স্ত্রী নুরজাহান বেগম বলেন, বিদায়ের বেলায় দেখতে হলো আমার স্বামীর নাম রাজাকারের তালিকায়, তাও আবার ১ নম্বরে। এখন কবর থেকে তুলে আমার স্বামীর বিচার করতে হবে ?


তিনি বলেন, আমার স্বামী ২০০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মারা গেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। সংগ্রাম পরিষদ পরিচালনা করেছেন। যুদ্ধের সময় আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিকামী মানুষের ভরণ-পোষণ দিয়েছেন। আজ সেই মানুষটা কি করে রাজাকার হয়? এর বিচার হবে। এর বিচার করবেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমার স্বামীর কাঁধে হাত দিয়ে হাঁটতেন। শেখ হাসিনা আমার স্বামীর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতেন। দূরে বসলে তাকে কাছে টেনে বসাতেন শেখ হাসিনা। সেই মানুষটা কি করে রাজাকার হলো, তা আমি জানতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি এর বিচার চাই।
বরগুনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবদুল মোতালেব মৃধা বলেন, মারা যাওয়ার এতো বছর পর আবার ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন মজিবুল হক নয়া ভাই। তিনি কখনও রাজাকার ছিলেন না। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ও বন্ধু। ছিলেন স্বাধীনতার সংগঠক।
 বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন,মজিবুল হক নয়া ভাই রাজাকার ছিলেন না। রাজাকারের তালিকায় কিভাবে উনার নাম এল বিষয়টি তদন্ত করে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Monday, December 9, 2019

অটোম্যান থেকে বর্তমনা ক্যারিশমাটিক এরদোগান pdf download

 রজব তাইয়্যেব এরদোগান !   দুই বারের প্রধানমন্ত্রী।  এখন দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি তুর্কির নন্দিত প্রেসিডেন্ট।
  দেশ,মুসলিম উম্মাহ, বিলাদুল হারামাইন, আল-আকসা ও ফিলিস্তিনকেন্দ্রিক তার কথা ও বলা,  ভাষণ ও  বক্তৃতা দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
নব্যক্রুসেডারেরা একদিকে  হত্যা যজ্ঞে মেতে উঠেছে, অপরদিকে এরদোগান প্রতিবাদী কণ্ঠে আবির্ভূত হচ্ছেন প্রতিবাদের ডায়াসে।
 এরদোগান বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এক স্বপ্নপুরুষ।  মজলুমের দরদী বন্ধু। নির্যাতিত জনপদের কল্যাণকামী মুহাফিজ।  নির্যাতিত,নিগৃহীত, কান্নারত শিশুকিশোর-নারীর দায়িত্বশীল অভিভাবক
 তিনি শিকড়ের শিকরে ফিরতে লালায়িত।
 আরবে আজমে তাকে নিয়ে লেখক সাংবাদিকেরা কথা বলছেন, লিখে যাচ্ছেন । কবিরাও বসে নেই। গবেষকরা রাত দিন গবেষণা করছেন তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নিয়ে । অনেক লেখাই তো হয়েছে,হচ্ছে। আরো হয়তো হবে,  হবেই।  কিন্তু শিকড়সন্ধানী লেখক, গবেষক, ইতিহাসবেত্তা  ডঃ রাগিব সারজানির কলমে তিনি একটু অন্যরকমভাবে চিত্রিত হয়েছেন!
 এই বই নিয়ে পড়তে বসলে মনে হবে-
আমি কী পড়ছি!  কার লেখা পড়ছি !?
যাকে নিয়ে লেখা এই বই, তিনি কোন যুগের মহান শাসক? কী প্রাজ্ঞ রাজনীতিক!
 তিনি দূর অতীতের  কেউ নন তো ! নইলে এই ঝড়ের ভিতর কে আর হবেন এমন সিপাহসালার?  উম্মার হাসিতে যিনি হাসেন? আর কান্নায় কেঁদে কেঁদে হন- সারা!
 আসলে কে তিনি?
আর কালক্ষেপণ না করে এই বই পড়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আপনাকে।
..
ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী

Wednesday, November 6, 2019

Shahih Al-Bukhari very old edition


Sahih Al-Bukhari Al-Shareef - The Sultan Edition


The Sultan edition was originaly commissioned and printed in 1313 AH / 1895 CE in Egypt in nine volumes.

A group of sixteen erudite scholars from Egypt - led by the Grand Shaykh of al-Azhar, Shaykh Hassunah al-Nawawi - were tasked with reviewing it; and later Shaykh al-Islam, the highest religious authority in the Muslim World, approved it, alongside another committee of the most learned scholars in the Ottoman Caliphate.

What made this edition unique was the fact that it was printed according to the famous Yunini manuscript – the most authoritative and elegant handwritten manuscript of Sahih al-Bukhari.

Thus, making the Sultania edition a piece of antiquity, with several generations of scholars growing up hearing about it, but never seeing it.

This new edition is based on a rare and flawless copy housed in the library of Shaykh Muhammad al-Yaqoubi - to which the noble Shaykh generously granted access to during the reproduction of this facsimile.

Pdf download link
مجلد 2
الإمام الحافظ أبي عبدالله محمد بن إسماعيل البخاري الجعفي
نبذة عن الكتاب :
هذه هي الطبعة السلطانية لصحيح البخاري، وهي أصح وأنفس طبعات البخاري، وهي نادرة للغاية، وإذا وجدت مصوراتها فهي باهظة الثمن، والنسخة مصدرة بمقدمة العلامة أحمد شاكر.
التحميل مباشر 
الواجهة
مقدمة
مجلد 1
مجلد 2
مجلد 3
مجلد 4
مجلد 5
مجلد 6
مجلد 7
مجلد 8
مجلد 9

Thursday, June 27, 2019

ফাজিল ( অনার্স) ১ম বর্ষ, ২য় বর্ষ,৩য় বর্ষ ও ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা- ২০১৯ ফরম পূরন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি


         
দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে ২০১৩ সালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কর্তৃক ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৩ বিল আকারে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়। অত:পর ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ খ্রি. তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ এ বিল পাস করে। এভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আলিম, পীর-মাশায়িখ ও দেশের জনগণের দীর্ঘ দিনের দাবী পূরণ হল।


         
নোটিশ পিডিএফ ডাউনলোড লিংক

মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা

"এক জাতি, এক ভূমি"- এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা যে মুসলিম উম্মাহ্‌ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের প্রভাবশালী সভ্যতায় সেই একই ...

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ