Thursday, October 18, 2018

বাড়ি ফেরা হল না মাদরাসাছাত্র আতিকুলের


বাড়ি ফেরা হল না মাদরাসাছাত্র আতিকুল ইসলামের। মাদরাসার ছুটি উপলক্ষ্যে বাড়ি ফিরছিল সে। কিন্তু ফেরার পথেই বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল তার।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকার গুলশানের নর্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আতিকুল ইসলাম (১১) ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলার পাগলী গ্রামের মো. শহিদুল্লার ছেলে। সে ভাটারা পূর্ব নয়ানগর হাজী আব্দুর সাত্তার মাদরাসায় নুরানী বিভাগে পড়ত।
নিহতের বড় ভাই বলেন, মাদরাসা থেকে ১০ থেকে ১২ জন ছাত্র ছুটিতে একসঙ্গে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে নর্দা ফুটওভার ব্রিজের নিচে রাস্তার পার হওয়ার সময় নতুনবাজারগামী একটি বাস আতিকুলকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর ঢামেকের কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ১০টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতন, গৃহকর্ত্রী গ্রেপ্তার


লামিয়া আক্তার মরিয়ম
বরিশাল নগরে শিশু গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্ত্রী শারমিন আকতারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের মদিনা সড়কের ভাড়া বাসা থেকে গতকাল সোমবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতনের শিকার লামিয়া আক্তার মরিয়মকে (১২) উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
লামিয়া বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার ইকবাল সরদারের মেয়ে। তার মা নেই, বাবা ঢাকায় রিকশা চালান। সে দাদির কাছে থাকত। গ্রেপ্তার শারমিন আকতার বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে তিনি আত্মগোপন করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বরিশাল নগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানতে পারে, মদিনা সড়কের ‘আকাশ মঞ্জিল’ এর চারতলার ভাড়া বাসায় লামিয়াকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে। সোমবার রাত ৯ টার দিকে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে লামিয়াকে উদ্ধার ও শারমিনকে আটক করা হয়।
লামিয়া জানায়, সে ছয় মাস আগে আশরাফুল-শারমিন দম্পতির বাসায় আসে। প্রথম সে তাঁদের ছোট বাচ্চাকে দেখাশোনা করত। পরে তাকে দিয়ে বাড়ির ভারী কাজ করতে বাধ্য করা হতো। কাজ পছন্দ না হলে তাকে মারধর করতেন তাঁরা। বাড়ি ফিরে যেতে চাইলে তাঁরা তার মাথার চুল কেটে দেন এবং মারধর করেন। নির্যাতনের কারণে তার দুই হাতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসা না করানোর ফলে তাতে পচন ধরেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অসীম কুমার বলেন, শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তার সুস্থ হয়ে উঠতে সময় লাগতে পারে। তবে আশঙ্কার কিছু নেই।
বরিশাল নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইউনুস আলী ফরাজী মঙ্গলবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় শিশু ও মানবপাচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শারমিন ও তাঁর স্বামীকে আসামি করা হয়েছে।

Monday, October 1, 2018

বিজেপি নেতার বাংলাদেশ দখলের হুমকি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে জানিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপ‘র বিতর্কিত নেতা সুব্রহ্মন্যম স্বামী। আর এই নির্যাতন বন্ধ না হলে বাংলাদেশ দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন রাজ্যসভার এই সাংসদ।
রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন রাজ্য ত্রিপুরার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সুব্রহ্মন্যম স্বামী একথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেক হিন্দু মন্দির বলপূর্বক দখল করে নেওয়া হচ্ছে এবং বাংলাদেশের দরিদ্র শ্রেণির মানুষদের উপরে চাপ সৃষ্টি করে তাদের ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে।
এক পর্যায়ে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেন, ‘হিন্দুদের উপরে ক্রমাগত আক্রমণ হচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে। এই প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে দখল করে নেওয়া হবে বাংলাদেশ।’
বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের এই ‘পাগলামি’ অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি করেছেন স্বামী। অন্যথায় সমগ্র বাংলাদেশে দিল্লির শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন ভারতের শাসকদলের এই নেতা। তার ভাষায়, ‘হিন্দুদের বিরুদ্ধে পাগলামি বন্ধ না হলে বাংলাদেশ দখল করতে হবে। আমি সরকারকে সেই পরামর্শই দেব।’
অতীতেও বাংলাদেশ নিয়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন এই বিজেপি নেতা। ২০১৪ সালের এপ্রিলে এই বিজেপি নেতা দাবি করেন, দেশ ভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে৷ তাই তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিতে হবে৷ অন্যথায় খুলনা থেকে সিলেট পর্যন্ত বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড ভারতের কাছে ছেড়ে দেয়ার দাবি করেন এই নেতা।

১১ আইনে রাষ্ট্রপতির সম্মতি, নেই কওমি স্বীকৃতি বিল


জাতীয় সংসদের সদ্য শেষ হওয়া ২২তম অধিবেশনে ১৮টি বিল পাস হলেও ১১টি বিলে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তবে সেই সম্মতিতে নেই বহুল আলোচিত ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) এর সনদ মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান (কওমি মাদরাসা) বিল-২০১৮’।
রাষ্ট্রপতির সম্মতি থাকা বিলগুলো হলো, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল, ২০১৮; বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮; বস্ত্র বিল, ২০১৮; সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০১৮; যৌতুক নিরোধ বিল, ২০১৮; সার (ব্যবস্থাপনা) (সংশোধন) বিল, ২০১৮; জাতীয় পরিকল্পনা উন্নয়ন একাডেমি বিল, ২০১৮; হিন্দু দর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল, ২০১৮; বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন বিল, ২০১৮; কৃষি বিপণন বিল, ২০১৮; এবং জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮।
সংসদের আইন শাখার কর্মকর্তারা জানান, সংসদে কোনো আইন পাস হলে তা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠায় সংসদ। আইনগুলোর অনেক কপি ব্রডশিটে ছাপানো হয়।
কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি বিলসহ সম্মতির জন্য পাঠানো হয়নি এমন ৭টি বিল সংসদ অধিবেশনের শেষে পাস হওয়ায় এখনও কাজ শেষ হয়নি। কাজ শেষ হলেই সেগুলো রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে বলে জানা যায়।
এদিকে, বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিও রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায়নি বলে জানা গেছে। বিলটির খসড়া তৈরির সময়ই এর বিভিন্ন ধারার বিরোধিতা করে আসছিলেন সাংবাদিকরা। এটি সংসদে পাস হওয়ার তা তাতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাক্ষর না করার আহ্বানও জানায় বিভিন্ন মহল।
সম্পাদক পরিষদসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এই বিল পাসের বিরোধিতা করে কর্মসূচিতও দিয়েছিল। কিন্তু তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর অনুরোধে সেসব কর্মসূচি স্থগিত করে রোববার তার সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। সেই সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই আইনের যে ৯টি ধারায় আপত্তি এগুলোর বিষয়ে বিষয়ে পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে। এরপর আবার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
২২তম অধিবেশনে পাস হয়েছে অথচ রাষ্ট্রপতি এখনও স্বাক্ষর করেননি সেগুলো হলো, সড়ক পরিবহন বিল-২০১৮, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) এর সনদ মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান (কওমি মাদরাসা) বিল-২০১৮, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি বিল-২০১৮, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিল-২০১৮, পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরি শর্তাবলি) বিল ২০১৮, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট বিল-২০১৮ এবং কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা ট্রাস্ট বিল-২০১৮ পাস হয়।

Saturday, September 8, 2018

ভারতে সমকামিতা বেমানান নয়!



রবিঠাকুর ঠিকি বলেছিল, 'মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়!_____ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় করার বিরোধিতা করা যথার্থ ছিল, 'তার প্রমাণ : এই যেমন ভারতে সমকামিতা বৈধতার রায় নিয়ে আমি/আমরা যেভাবে হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছি তাতেই আমাদের নির্বুদ্ধিতার পরিচয় পাওয়া যায়!

"গল্প: একলোক আদরযত্ন করে একটা কুকুর পুষেছিল, কুকুরটাকে উন্নত ভালো-ভালো খাবার দেয়। হঠাৎ একদিন লোকটি দেখল, তার পোষ্য কুকুর শিশুর পায়খানায় খাচ্ছে!___লোকটা বিষম ক্ষেপে গিয়ে কুকুরের উপর চড়াও হল।
সে বলছে, তরে এতো আদরযত্ন করে ভালো ভালো খাবার খাওয়াচ্ছি, কিন্তু তুই পায়খানা খাচ্ছিস? 'আসলে কুকুরে তো ভুল করেনি। ভুল ভাবনা মালিকের ছিল। কুকুরকে যতই ভালো খাবার দিন, আদরযত্ন করুন, সে কি তার কুকুরী খাসিয়ত ভুলে যেতে পারে? "কখনো না।

কুকুর নজিস দেখলে লোভ সামলাতে পারেনা, মুখ দিবেই।
তাই কুকুর ভুল করেনি! ভুল আপনের। কুকুর তার মূলগত চরিত্র ছাড়তে পারেনা।

যে, জাতি সৌভাগ্য লাভের আশায়
কুকুর, বানর ইত্যাদি জানোয়ারের সাথে বিয়ে করে।
যে, জাতি সম্পূর্ণ উলঙ্গ মানুষের লিঙ্গ ছুঁয়ে পূজা করে।
যে, জাতি গরু রক্ষার নামে মানুষ হত্যা করে।
যে, জাতি তার আপন সন্তান, বোনদের ঋতুস্রাবের সময় গোয়ালঘরে থাকা বাধ্যতামূলক। শুধু তাইনা প্রথম ঋতুস্রাবের সময় ২২'দিন বাবা-এবং ভাইদের চোখের আড়ালে (বাড়িছাড়া) থাকা বাধ্যতামূলক।
সেই জাতির কাছে সমকামিতা বৈধতা পাওয়া দেখে এমন অবাক, আশ্চর্য হওয়া মূর্খতা ছাড়া আর কি হতে পারে?


ওরা ইঁদুর, বানর, কুকুর, হাতি, সাপ সহ অনেক জীবজন্তুর পূজা করে। এটা তাদের ধর্মে পেয়ে এসেছে। তাছাড়া তারা লিঙ্গ পূজা করে বিধায় সমকামিতা ঐপূজার অংশও হতে পারে!
সুতরাং তাদের জন্য এইসব স্বাভাবিক বিষয়।
এনিয়ে হৈ-চৈ করার কি আছে?

কিন্তু অস্বাভাবিক বিষয় হল: এদেরকে আমাদের দেশের কিছুসংখ্যক মানুষ' যারা নিজেদের মুসলিম ও পরিচয় দিয়ে থাকে, সেই তারা ওই সমকামী, লিঙ্গপূজারীদেরকে পরম বন্ধু সম্বোধন করে। তাদের সাহায্য পরামর্শ নিয়ে চলে! তাহলে কি ধরে নেবো, তাদের ও পূর্বপুরুষরা ঐ জাতি-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিল? 'যেমন কুকুর তার মূলগত চরিত্র ছাড়তে পারেনা, তেমনি এরাও তাদের বুনিয়াদী জাতভাইদের সঙ্গ ছাড়তে পারেনি!

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হিসেবে আমাদের দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। তাই আমাদের আচার আচর , চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা।
পশুর সাথে যে, মানবজাতির আচার আচরণের মিল থাকে, তাদেরকে মানুষ বলবেন কীভাবে?

তবে পশুরা কিন্তু সমকামিতা করেনা। তা-হলে ওরা তো পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট।
আর এই নিকৃষ্ট জাতের সাথে মানুষের বন্ধুত্ব হতে পারে কী???

উৎকণ্ঠিত গোটা আরব! ভয়ার্ত পুরো মুসলিমবিশ্ব


আমেরিকার পা-চাটা গোলাম সৌদিআরব শাইখ সালমান আল আওদাহ, শাইখ আওয আল কারনি ও শাইখ আলি আল উমারির শিরচ্ছেদ করার ঘৃণ্য পাঁয়তারায় লিপ্ত। এই তিন ইসলামি চিন্তাবিদের শিরচ্ছেদ করে তাগুত আ-লে সৌদ সৌদি জনগণের মুখে কলুপ এঁটে দিতে চাচ্ছে! তাগুত আ-লে সৌদের এই ঘৃণ্য পাঁয়তারা সম্পর্কে টের পেয়ে গেছে সৌদি জনগণ। ইতিমধ্যেই তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠেছে। এক অজানা ভীতি আর শঙ্কায় কাটছে তাদের প্রতিটা মুহূর্ত! এখন উৎকণ্ঠিত পুরো আরবজাতি। ভয়ার্ত গোটা মুসলিমবিশ্ব।

গত বুধবার তাগুত সৌদিআরবের কথিত শাস্তিমূলক আদালতের অধীনে শাইখ সালমান আল আওদাহর গোপন বিচার সংঘটিত হয়। সরকারপক্ষ তার বিরুদ্ধে সাঁইত্রিশটি ভুয়া সন্ত্রাসী অভিযোগ আরোপ করার পর; শাস্তিস্বরূপ তাঁর শিরচ্ছেদ করার আবেদন করে! তদ্রুপ পৃথক পৃথক গোপন বিচারে একই অভিযোগে শাইখ আওয আল কারনি ও শাইখ আলি আল উমারিরও শাস্তিস্বরূপ শিরচ্ছেদের আবেদন পেশ করে! শাইখ সালমান আল আওদাহর ছেলে আবদুল্লাহ আল আওদাহর সূত্রমতে, সৌদি আদালত শাইখ সালমান আল আওদাহর বিচার একমাসের জন্য মুলতবি ঘোষণা করে। আগামী মাসে তাঁর বিচার আবারও অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, প্রচণ্ড মানসিক চাপ ও অবহেলার শিকার হয়ে শাইখ আবদুল আজিজ আত তারিফির শারীরিক অবস্থা খুবই নাজুক। আলহায়ির কারাগারের হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অপরদিকে প্রখ্যাত দাঈ শাইখ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল আরিফির সবধরনের বক্তৃতা ও দাওয়াহর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তাগুত সৌদি প্রশাসন। শাইখ আরিফি এখন বাক-অবরুদ্ধ! তদ্রুপ আরও অনেককেই সংকীর্ণতার মধ্যে রাখা হয়েছে।

পুনঃউল্লেখ্য, একে একে সৌদিআরবের প্রায়সকল আলেম, দাঈ, রাজনীতিক ও ইসলামি চিন্তাবিদ কারাবন্দি বা নজরবন্দি। শুধুমাত্র 'হক' বলা বা 'হক'র পক্ষে অবস্থান নেয়ার কারণে। তাঁদের কেউ কেউ কারা-হাসপাতালে শয্যাশায়ী, আবার কেউ কেউ খড়গের নিচে মৃত্যুর জন্য প্রহর গণনাকারী! কিন্তু মসজিদে হারামের ইমাম ও খতিব ভাড়াটে শাইখ আবদুর রহমান আস সুদাইস এখন অবধি রাজকীয় আড়ম্বরপূর্ণ শান-শওকত আর বিপুল ঐশ্বর্যের মধ্যে তাগুত আ-লে সৌদের পা চেটেই যাচ্ছেন! বিশ্বকে শান্তির বন্দরের দিকে নিয়ে গমনকারী (!) ট্রাম্প ও সালমানের জুতো বহন করেই চলছেন!
-----

সমকামিতা ভারতে আর অপরাধ নয়: সুপ্রিম কোর্ট

সমকামিতা ভারতে আর অপরাধ নয় বলে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।
সমকামিতাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বর্ণনা করা ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা বাতিল করে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছেন।
ব্রিটিশ জমানার এই বিতর্কিত আইনটির সুবাদে 'অপ্রাকৃতিক যৌনতা'র অপরাধে ভারতে কোনও ব্যক্তির ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারতো।
১৮৬১ সালের জারি করা ধারাটি ২০০৯ সালে সমকামিতা অপরাধ নয় বলে রায় দিয়েছিল দিল্লির হাইকোর্ট। তবে তার বিরুদ্ধে আপীল করা হলে ২০১৩ সালে ওই আইনটি বহাল করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ। নিজেদের সেই আদেশ আজ বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
এ সময় আদালতের বাইরে অধিকার কর্মীরা উল্লাস করে ওঠেন। তাদের অনেককে কাঁদতে দেখা যায়।
ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ভারতে এলজিবিটি শ্রেণীভুক্ত পাঁচজন ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা তাদের আবেদনে বলেছিলেন, ভারতীয় দন্ডবিধির সেকশন ৩৭৭ এমন একটি আইন যে কারণে সব সময় তাদের ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতে হয় - কারণ তাদের যৌনতার দোহাই দিয়ে পুলিশ যখন খুশি তাদের গ্রেফতার করতে পারে।

গত জুলাই মাসে তাদের আবেদনের শুনানি শুরু করেন সুপ্রিম কোর্ট, যা দেশটিতে স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তার বিতর্ক তৈরি করে।
শুনানির একপর্যায়ে একজন বিচারপতি মন্তব্য করেন, ''যৌনতার কারণে কাউকে ভীতির মধ্যে জীবনযাপন করা উচিত নয়।'' যা ভারতের সমকামীদের মধ্যে আশাবাদের সৃষ্টি করে।
সমকামিতাকে কোন অপরাধ হিসাবে গণ্য না করার জন্য ভারতে অনেকেই দাবি তুলেছেন।
যদিও এখনো ভারতে সমকামিতা নিয়ে সংকোচ রয়েছে এবং অনেকেই এটিকে বেআইনি বলে গণ্য করে।
'সেকশন ৩৭৭' বহাল থাকা না থাকার প্রশ্নে ২০১৬ সালে পুনরায় শুনানি গ্রহণ করতে সম্মত হন আদালত। তিনজন জ্যেষ্ঠ বিচারক বলেন, এটা সাংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে তারা মনে করেন।
সেকশন ৩৭৭ কী?
এটি ১৫৭ বছর পুরনো ঔপনিবেশিক আমলের একটি আইন, যেটি ১৮৬১ সালে জারি করা হয়।
সেখানে কিছু যৌন অপরাধকে অস্বাভাবিক অপরাধ বলে বর্ণনা করা হয়েছে, যার জন্য ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
যেখানে বলা হয়েছে, ''স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে মানুষ,নারী বা কোন পশুর সঙ্গে যৌন মিলন'' করা হলে তা শাস্তিযোগ্য হবে।
অ্যাকটিভিস্টরা বরাবরই অভিযোগ করছেন, দেশের সমকামী এবং তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়কে হয়রানি করতে আইনটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
সমঅধিকার কর্মীরা বলছেন, এ ধরণের একটি আইন থাকা মানেই প্রমাণ করে যে, যৌনতার ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বৈষম্য করা হচ্ছে।

মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা

"এক জাতি, এক ভূমি"- এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা যে মুসলিম উম্মাহ্‌ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের প্রভাবশালী সভ্যতায় সেই একই ...

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ